কেন্দ্রের কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে তৃণমূলের বিক্ষোভ মিছিল ও সভা
দি নিউজ লায়ন ; কেন্দ্রের কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে ও কেন্দ্রের জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে ও শুভেন্দু অধিকারী সহ একাধিক তৃণমূল নেতৃত্ব বিজেপিতে যোগদান করায় তাদের বেইমান আখ্যা দিয়ে রবিবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা ৩ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে চন্দ্রকোনা রোডে মিছিল ও পথসভা আয়োজন করা হয়। এদিন গড়বেতা ৩ নম্বর ব্লকের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মিছিল সংঘটিত হয়ে চন্দ্রকোনারোড এর রিং রোডে একটি প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়। এদিন এই প্রতিবাদ সভায় কয়েক হাজার তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
এই দিনের প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তরা সিংহ হাজরা, শালবনির বিধায়ক শ্রীকান্ত মাহাতো,জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি নিমাই রতন ব্যানার্জি, ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রাজীব ঘোষ, যুব তৃণমূলের সভাপতি সাগর মন্ডল সহ এক ঝাঁক তৃণমূল নেতৃত্ব, এই দিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে একাধিক তোপ দাগলেন তৃণমূল নেতৃত্ব।সভাধিপতি তার বক্তব্যে শুভেন্দু অধিকারী ওঅমিত শাহ সহ বিজেপিকে ঝাঁঝালো ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি গর্জে ওঠেন বিজেপির বিরুদ্ধে।
শালবনীর বিধায়ক শ্রীকান্ত মাহাতো এদিন তীব্র ভাষায় বিজেপি-কে সাম্প্রদায়িক শক্তি ও ভারতের ডাকাত বলে কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন অমিত শাহ বাংলায় ডাকাতি করতে পারবে না। সারা বাংলার মানুষ অত্যন্ত সজাগ তাই হাজার চেষ্টা করেও বাংলা কে অমিত শাহ আর গুজরাট বানাতে পারবে না। সেই সঙ্গে তিনি শুভেন্দু অধিকারী সম্পর্কে বলেন বেইমান না হলে তৃণমূলকে তোলাবাজ বলতেন না ।কারণ ২০১৪ সাল থেকে তৃণমূল কে ধ্বংস করার জন্য তৃণমূলে যোগ দিয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীর মত একজন আধুনিক ভারতের গদ্দার ও মীরজাফর।
এই রকম বেইমান ভারতবর্ষে খুব কম হয়। তাই এইরূপ বেইমানদের চিহ্নিত করে দলকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। যারা দলে থেকে দলের ক্ষতি করতে চায় তাদের চিহ্নিত করতে হবে। সেই সঙ্গে তিনি বলেন ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃতীয়বারের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে মুখ্যমন্ত্রী করার জন্য দলীয় কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে এবং বেইমানদের উপযুক্ত জবাব দিতে হবে।
এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ছিল শুভেন্দু কে নিয়ে একরাশ ক্ষোভেভরা প্রতিবাদ। এবং কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।যার ফলে পথসভায় যানজটের মধ্যে পড়তে হয় পথচলতি মানুষকে। এই যানজট মুক্ত করার জন্য কার্যত হিমশিম খেতে হয় পুলিশ প্রশাসনকে।অন্যদিকে দাদার অনুগামীরা শুভেন্দু অধিকারীর সমস্ত ফেস্টুন খুলে ছিঁড়ে তার ছবির উপর জুতা মারতে মারতে আগুনে দিয়ে পুড়ায় তৃনমূলের এক শ্রেণীর কর্মীরা।

Post a Comment